Skip to main content

Posts

যেভাবে আপনার ফেসবুক নামের পাশে ভেরিফাইড চিহ্ন আনবেন!

 আপনি কি সেলিব্রিটিদের মত আপনার নামের শেষে ফেসবুক ভেরিফাইড টিক চিহ্নটি দেখতে চান? )। :P :P আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করতে আমি এসে গেছি। ভেরিফাইড টিক চিহ্নটি পাবার সবচেয়ে সহজ উপায়টা বলব। (১০০% working) যা যা লাগবে - নেট কানেকশন ফেসবুক আইডি পিসি বা ল্যাপটপ গোলযোগ বিহীন মাউসের ডান পাশের বাটন কিবোর্ডের cltr, c এবং v বাটন (কপি পেষ্টের জন্য) আপনার মত ভেরিফাইডের স্বপ্নে বিভোর টিপাটিপি জানা মানুষ প্রথমে আপনাকে আপনার প্রোফাইলের ছবি এবং স্টাটাসে দুই হাজারের মত লাইক ম্যানেজ করতে হবে। কি বললেন! আপনার কাঠবলদ বন্ধুরা আপনার মেধা সৃজনশীলতাকে পাত্তা দেয় না! আপনার মত রাজপুত্রের ছবিতে লাইক দিতে চায় না তারা! ইনিয়ে বিনিয়ে লাইক চাইলে বলে "দেশে পুরান সেলিব্রিটি (পড়ুন পাগল) লাইক পায় না, নতুন সেলিব্রিটির (পড়ুন ছাগল) আমদানি, যা ভাগ"। ভাই বুকে আসেন। আমারো একি অবস্থা। চলেন লাইক ছাড়াই আপনার নামের পাশে ভেরিফাইড চিহ্নটা বসানোর চেষ্টা করি। খুব সোজা। সর্বপ্রথম আপনাকে ভেরিফাইড কারো প্রোফাইলে যেতে হবে। আচ্ছা Mark Zuckerberg ভাইয়ের আইডিতেই যাই। প্রথমে সার্চ দিয়ে তাকে বের করি। তারপর তার প্রোফাই...

রাত পাখি

অাকাশ জোড়া মেঘ করেছে ডাকছে গুড়ু গুড়ু অামি জানি মেঘে তোর ভয় বুক কাপে দুরু দুরু ভয় নেই ওরে আমি আছি না তবুও যেত না ভয় বলতি অামায় পাশে থাকি যেন হোক,  যা কিছুই হয় ও রাত পাখি তুই রাখলিনা, তুই রাখলিনা তোর কথা ও রাত পাখি তুই বুঝলিনা, শুধু বাড়ালি বুকের ব্যাথা ও রাত পাখি তুই জানলিনা, এখনও চায় মন যে তোকে ও রাত পাখি তুই ফিরে আয়, প্লিজ ফিরে আয় এ বুকে বাইরে এবার বৃষ্টি নামলে নামবি আমার সাথে? যত ব্যাথা আর যত কষ্ট ধুয়ে যেতো এই রাতে ঝমঝমেতে বৃষ্টি নামল আসবিনা তুই জানি মেঘগুলো সব করে কলোরব ঝরে যাক সব পানি। ও রাত পাখি তুই মানলি না, তুই ভেঙে দিলি স্বপ্ন টাকে ও রাত পাখি তুই নিয়ে গেলি সব, নিয়ে গেলি ভেতরটাকে ও রাত পাখি জানিস কি তুই, একা নেই আমি সুখে ও রাত পাখি তুই ফিরে আয়, প্লিজ ফিরে আয় এই বুকে

চারটা গল্প সত্যি

(গল্প এক)................. এক বড় ভাইয়ের সাথে কথা খুব ভালবাসেন তাই না? ভালতো বাসতাম। রিলেশনটা তাহলে ভাঙ্গল কিভাবে? ওনার জন্য? রিলেশন.... উম....অনেকগুলো কারণ ছিল। বলতে বলতে এটা নিয়ে উপন্যাস লেখা হয়ে যাবে। (গল্প দুই).................... বন্ধুর সাথে কথা- তোদের প্রেম দেখে আমার হিংসে হয়! হা হা হা। হিংসে হয় কেন? এইযে তোদের কত আন্ডারস্টান্ডিং ভাল, দুজন দুজনকে তোরা এত ভালবাসিস, কত সহজে সুখে আছিস তোরা। আমারতো এসব কিছু নাই। হিংসে হবে নাতো কি হবে? নারে। সুখে নাই। আমার খালি উপরটাই দেখিস। অনেক সমস্যা আছে। সিনেমা তৈরি করা যাবে এসব নিয়ে। (গল্প তিন).................... বান্ধবীর সাথে কথা- আমার মত হ্যান্ডসাম ছেলেকে বাদ দিয়ে ওই টেম্পুর হেলপারের মত দেখতে ছেলেটার সাথে রিলেশন করলিতো, দেখিস তোর ব্রেকাপ হবে। রোজার ঈদের আগেই হবে। শকুনের দোয়ায় গরু মরে না কথাটা জানিস তো? আমি শকুন? রিলেশন করেই বন্ধুকে পর করে দিলি! ওই দুই দিনের টেম্পু ড্রাইভার তোর আপন হল! ওকে টেম্পু ড্রাইভার বলবি না। একশ বার বলব, টেম্পু ড্রাইভার, টেম্পু ড্রাইভার, টেম্পু ড্রাইভার, টেম্পু.... চুপ কর। তুই যতই খোটা দে আ...

কখনও?

খুব বাতাসে একলা একলা হেটেছো কখনও? খুব গরমে খালি গায়ে থেকেছো কখনও? এমনি এমনি কারন ছাড়াই গেয়েছো কখনও? ঘুম ভাঙ্গলেও চোখটা বুজে শুয়ে থেকেছো কখনও? তোমার প্রিয়ার চুলের ঘ্রান নিয়েছো কখনও? জোক না বুঝে করুন মুখে হেসেছো কখনও? ডাইরি লিখতে লিখতে অশ্রু গড়িয়েছে কখনও? অানমনাতে অারেক দিকে চলে গিয়েছো কখনও? মন খারাপের কোন রাতে কেদেছো কখনও? গানের মাঝে তোমার গল্প খুজে পেয়েছো কখনও?

বাবা

আমার মা আমাকে ছোট থেকে "বাবা,এটা করে না", "বাবা এদিকে আসো", "এইতো আমার লক্ষ্মী বাবা" এমন করে ডাকে। এতদিনেও এর গুরুত্ব বুঝতে পারিনি। আমি আগে ছোট ছিলাম, অক্ষম ছিলাম,সাহায্যের জন্য আমার পাশে মা ছিল । এখন মায়ের দিনদিন বয়স হচ্ছে, অক্ষমতার দিকে এগোচ্ছে, ছোট মেয়ের মত হয়ে যাচ্ছে, তার পাশে একজন বাবা দরকার। যেই বাবা তার পাশে থেকে সব কাজ করে দেবে, ঘুরতে নিয়ে যাবে, অসুখে সময়মত পানির গ্লাস সমেত অষুধ এনে দেবে, গল্প করে সময় কাটাবে তার সাথে, কখনই তার অক্ষমতা বুঝতে দেবে না। সেই বাবাটা যে আমি এখন ধীরেধীরে বুঝতে পারি। আমার মা এখন আমার মেয়ে। তাকে সামলে রাখার দায়িত্ব আমার। কিন্তু খুব খারাপ বাবা আমি। মেয়েকে একা শত মাইল দূরে রেখে আনন্দে দিন কাটাচ্ছি। আমার মেয়ে মাঝে মাঝে অসুস্থ হয়। ডায়বেটিক্স, উচ্চরক্তচাপ আরও নানা কিছু কানে আসে। মেয়েটা আমাকে বুঝতে দেয় না।একা আমার ছোট ভাইটাকে নিয়ে বাসায় থাকে। অফিস থেকে এসে একা ঘর গোছায়, বাজার করে, রান্না করে সব একা করে। যেন খুব মজা করে রান্নাবাটি খেলা হচ্ছে সেখানে! কিন্তু মেয়েটা নামাজ পড়ে মোনাজাতে হয়ত শুধু আমার মঙ্গলই কামনা করে। ত...

Boishakher Elish (A Bangla fiction film)

নাম- Boishakher Elish (বৈশাখের ইলিশ) Script & D.O.P Khalid Ahasan​ Cast- Naila Nayem Naila Nayem Polash Mojahidul Islam Polash D.Google Khalid ahasan Choto Bhai Mahmud Hasan Munna producer মাহমুদ হাসান​ Concept,Story,Editing & Direction Mojahidul Islam Polash​

"ঢাবিতে মেয়েদের জামাকাপড় খুলে নেয়া হয়েছে কারণ তারা নাকি নাভীর নিচে কাপড় পড়েছিল"

ঢাবিতে মেয়েদের জামাকাপড় খুলে নেয়া হয়েছে কারণ তারা নাকি নাভীর নিচে কাপড় পড়েছিল। আমার শ্রদ্ধেয় গুরুজনেরা ছোটবেলায় আমাকে নারীজাতির সম্পর্কে জ্ঞান দিয়েছেন যে "লজ্জা নারীর ভূষণ, মেয়েদের চুল দেখা হারাম, পর্দা ছাড়া সব নারী রাস্তার কুকুরের মত এজন্য দোজখে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি হবে, নির্দিষ্ট বয়সের পর নারীকে নিজ বাড়িতে নাহয় শ্বশুরবাড়িতে থাকতে হবে, স্বামী, বাবা, ভাই ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না, সামনে পর্দা ছাড়া নারী চলে এলে আর প্রতিবাদ করতে না পারলে দৃষ্টি নত রাখবে, নিজ নিজ লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে (না দেখিয়ে বেড়ানো আর কি), শয়তান নারীর মাঝে বাস করে, বিয়েছাড়া পুরুষের সাথে যেকোন সম্পর্কই অবৈধ্য, নারীর কারণে আজ আমরা পুরুষেরা ভুগছি, আমাদের বেহেস্তে থাকার কথা ছিল কিন্তু নারীর লোভ পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে।  " মোটামুটি এসবই। আমি ছোট থেকেই বাইরে। একা একা এতবড় হয়েছি। বাবা মায়ের সাথে একসাথে থাকা কি এখনও আমি জানি না! আমার সামাজিকিকরণ একরকম প্রকৃতির ধুলাবালি, গাছপালা,গল্পের বই এসব থেকে হয়েছে। তাই আমি বলতে পারব না উপরের ব্যাপারগুলোই মেয়েদের সত্যি বা মিথ্যা বা অতিরন্জিত। আগে বর্ডিং স্কুল...